Ads- 1

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি খাবার

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। এটা স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু আপনি যদি স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে চান তবে খেতে হবে পুষ্টিকর খাবার। বিশেষ করে এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। অল্পবয়সীরাও মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে খেতে পারেন এসব খাবার। জেনে নিন স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ডায়েট।

কফিতে থাকা ক্যাফেইন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মস্তিষ্কের জন্য বেশ উপকারী। এছাড়া ক্যাফেইনের মনোযোগ বৃদ্ধি, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ডিমের হলুদ অংশ কোলিন নামক অত্যাবশ্যকীয় উপাদানে ভরপুর। যা কোষে সংকেত পৌঁছাতে সাহায্য করে। আর 'শর্ট-টার্ম' মেমোরির সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।

সামুদ্রিক মাছ বা যে কোনও তৈলাক্ত মাছে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। এতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। পালং শাক মস্তিষ্কে বয়সের প্রভাব ও স্মৃতিভ্রংশের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন ই থাকে। বাদামে ভিটামিন-ই থাকায় স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। যেমন- কাঠবাদাম ও আখরোট ভিটামিন -ই এর ভাল উৎস।

গ্রিন টি স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মস্তিষ্কে থাকা অন্টিঅক্সিডেন্ট দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এই উপাদানটির উপস্থিতি উদ্বেগ, অতিরিক্ত চিন্তা, ভয় কমাতেও সাহায্য করে।

টমেটোতে লাইকোপেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। যা মস্তিষ্কের কোষের রেডিকল ক্ষয়ের বিরুদ্ধে কাজ করে। এক মুঠো কুমড়ার বীজ জিংক স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও কুমড়ার বীজ থেকে ভিটামিন বি ও ট্রিপ্টোফেন মেলে।

ব্রকোলি ভিটামিন-কে তে ভরপুর। এটি গ্লুকোসিনোলেটসের ভাল উৎস। যা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে সঠিক কার্যকারিতা পরিচালনা করে এবং স্মৃতি ভাল রাখতে সাহায্য করে। এই চকলেটে প্রায় ৮০ শতাংশ কোকো থাকায় এটা ধমনীর কার্যকারিতা উন্নত করে, মস্তিষ্ক ও স্মৃতিশক্তির কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে।

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি খাবার 

পুষ্টিবিদরা মনে করেন, বর্তমান যুগে দৈহিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য প্রাকৃতিক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকরী। শারীরিকভাবে সুস্থতার পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও বেশ জরুরী। মানসিক চাপ, উদ্বেগ, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া ইত্যাদি কারণে মস্তিষ্কের ক্রিয়াকলাপে ক্ষতি হতে পারে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কিছুটা সংযোজন বা বিয়োজন করলে, আপনার বুদ্ধি খুলবে এবং স্মৃতিশক্তিও আগের চেয়ে বাড়বে।

ডালিমের রস

ডালিমে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়া ডালিম খেলে ব্লাড সার্কুলেশন স্বাভাবিক থাকে, যা মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ করে। দুপুরে খাবারের আগে বা পরে ডালিমের শরবত খেলে মস্তিষ্ক সুস্থও স্বাভাবিক থাকে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ে।

জামের মিল্ক শেক

দুধের উপকারিতার কথা আমাদের বলার অপেক্ষা রাখে না। দুধের সাথে জাম মিশিয়ে মিল্ক শেক বানিয়ে খেলে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। জাম ব্লাড প্রেশারের পরিমাণ ঠিক রাখে। সেই সাথে কোলেস্টোরেলের পরিমাণ কমায়।

ডার্ক চকলেট

এই চকলেটে ৭০ শতাংশ কোকোয়া থাকে। এটা ধমনীর কার্যকারিতা উন্নত করে, মস্তিষ্ক ও স্মৃতিশক্তির কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে।

গ্রিন টি 

গ্রিন টি শুধুমাত্র ওজন কমাতে সাহায্যই করে না বরং স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মস্তিষ্কে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এই উপাদানটির উপস্থিতি নিউরোট্রান্সমিটারের ক্রিয়াকলাপ বাড়াতে সাহায্য করে এবং উদ্বেগ, অতিরিক্ত মেজাজ কমে। সেই সাথে স্মৃতিশক্তিও বাড়ে।

কফি

কফিতে থাকা ক্যাফেইন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মস্তিষ্কের জন্য বেশ উপকারী। এছাড়া ক্যাফেইনের মনোযোগ বৃদ্ধি, মন ভালো, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

বাদাম

বাদামে ভিটামিন ই থাকায় স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে সাহায্য করে, বিশেষত বৃদ্ধ বয়সে। যেমন- কাঠবাদাম ও আখরোট ভিটামিন ই এর ভালো উৎস। তাই বিকালের নাস্তার একটি অংশ হিসেবে বাদামকে বেছে নিতে পারেন।

তৈলাক্ত মাছ

মানব শরীরে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড উৎপন্ন হতে পারে না। তাই খাবারের মাধ্যমে তা গ্রহণ করতে হয়। যেমন- স্যামন, সারডিন-সহ মিঠাপানি ও সামুদ্রিক মাছ থেকে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণ করতে পারেন। এতে স্মৃতিশক্তি বাড়বে।

ব্রকলি

ব্রকলি ভিটামিন কে তে ভরপুর। ব্রকলি গ্লুকোসিনোলেটস এর ভালো উৎস। যা নিউরোট্রান্সমিটার, অ্যাসেটাইলকোলাইন ভেঙে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। যা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে সঠিক কার্যকারিতা পরিচালনা করতে ও আমাদের স্মৃতি তীক্ষ্ণ রাখতে সাহায্য করে।

টমেটো

টমেটোতে লাইকোপেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। যা কোষের রেডিকল ক্ষয়ের বিরুদ্ধে কাজ করে। ফলে স্মৃতিভ্রংশ বা স্মৃতির অবক্ষয় হ্রাস পায়। তাই প্রতিদিন সালাদে টমেটো খেতে পারেন।

পালংশাক

পাতাবহুল এই সবজি নানানভাবে উপকারী। পালংশাকে ভিটামিন ই থাকে। যা মস্তিষ্কে বয়সের প্রভাব ও স্মৃতিভ্রংশ কমাতে বা দূর করতে সাহায্য করে।

ডিম 

ডিমের কুসুম কোলিন নামক অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। যা কোষে সংকেত পৌঁছাতে সাহায্য করে। আর 'শর্ট-টার্ম' মেমোরি স্বল্প সময়ের স্মৃতি উন্নয়নে সাহায্য করে।

কুমড়ার বীজ

এক মুঠো কুমড়ার বীজ জিংক স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও কুমড়ার বীজ থেকে ভিটামিন বি ও ট্রিপ্টোফেন পাওয়া যায়।

নবীনতর পূর্বতন